মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের ‘৬০ মিনিটস ওভারটাইম’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
নেতানিয়াহু বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে কয়েকটি দেশ ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে বট বাহিনী বা বট ফার্মের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে প্রভাবিত করছে, যাতে আমেরিকার জনগণের ইসরায়েলপ্রীতি ভেঙে যায় এবং যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল জোট দুর্বল হয়।”
তিনি আরও দাবি করেন, এসব প্রচারণা খুব কৌশলে চালানো হয়। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, অনেক পোস্টে নিজেকে “একজন খাঁটি টেক্সাসবাসী” হিসেবে পরিচয় দিয়ে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন পরিবর্তনের কথা বলা হয়, যা পরে ভিন্ন দেশের সার্ভার থেকে পরিচালিত বলে ধরা পড়ে—তার দাবি অনুযায়ী সেটি পাকিস্তানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে।
যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মুখোমুখি এই নেতা বলেন, গাজা যুদ্ধসহ একাধিক ফ্রন্টে সামরিক লড়াই চললেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলাদা একটি “অষ্টম ফ্রন্টের যুদ্ধ” চালানো হচ্ছে, যা তথ্যযুদ্ধ বা মিডিয়া যুদ্ধ হিসেবে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতিকে তিনি আধুনিক যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করছেন, যেখানে প্রচলিত সামরিক শক্তির পাশাপাশি অনলাইন প্রভাব বিস্তারও বড় ভূমিকা রাখছে।
নেতানিয়াহু স্বীকার করেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে সেন্সরশিপ নয়, বরং গ্রহণযোগ্য উপায়ে এই তথ্যযুদ্ধ মোকাবিলা করতে হবে। তিনি বলেন, “তরুণ প্রজন্মের মন ও বিশ্বাস অর্জনের এই লড়াই আমাদের জিততেই হবে।”