DWP-এর ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, হৃদরোগকে প্রধান অক্ষমতা হিসেবে দেখিয়ে ভাতা গ্রহণকারীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশটি হচ্ছে ইস্কেমিক হার্ট ডিজিজ (Ischemic Heart Disease) বা করোনারি হৃদরোগে আক্রান্ত রোগী। এই সংখ্যাটি প্রায় ৩০,৪৮৯ জন। এছাড়াও তালিকায় রয়েছেন:
কার্ডিয়াক ফেইলিউর: ১৬,০৬৩ জন।
কার্ডিয়াক অ্যারিদমিয়া: ১১,৩৫৪ জন।
অন্যান্য: পেরিফেরাল আর্টেরিয়াল ডিজিজ, উচ্চ রক্তচাপ, জন্মগত হৃদরোগ, এবং কার্ডিওমায়োপ্যাথিতে আক্রান্ত হাজারো রোগী।
শুধু রোগ নির্ণয় হলেই এই ভাতা পাওয়া নিশ্চিত নয়। বরং সংশ্লিষ্ট রোগটি আবেদনকারীর দৈনন্দিন কাজ (যেমন- রান্না করা, গোসল করা) এবং চলাফেরায় কতটা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, তার ওপর ভিত্তি করেই ভাতার পরিমাণ নির্ধারিত হয়।
পিআইপি ভাতাকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে:
১. ডেইলি লিভিং পার্ট (Daily Living Part): এর এনহান্সড রেট সপ্তাহে ১১১.৬০ পাউন্ড এবং স্ট্যান্ডার্ড রেট ৭৬.৭০ পাউন্ড।
২. মোবিলিটি পার্ট (Mobility Part): এর এনহান্সড রেট সপ্তাহে ৮০ পাউন্ড এবং স্ট্যান্ডার্ড রেট ৩০.৩০ পাউন্ড।
১৬ বছর বা তার বেশি বয়সের ব্যক্তিরা এই সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে প্রার্থীকে অবশ্যই 'স্টেট পেনশন' বয়সের নিচে হতে হবে। পাশাপাশি শারীরিক বা মানসিক সমস্যার প্রভাব কমপক্ষে ১২ মাস স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে হবে। উল্লেখ্য, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে এই সুবিধা কার্যকর থাকলেও স্কটল্যান্ডে সমজাতীয় সুবিধার নাম ‘অ্যাডাল্ট ডিজাবিলিটি পেমেন্ট’।
ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের মতে, যুক্তরাজ্যে বর্তমানে প্রায় ২৩ লাখ মানুষ করোনারি হৃদরোগে আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান বর্জন এবং নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনলে অনেক ক্ষেত্রে জটিলতা এড়ানো যায় এবং স্বাভাবিক জীবনে ফেরা সম্ভব হয়।