শনিবার আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়।
ইরানের কেন্দ্রীয় বীমা সংস্থা জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনের ক্ষতিপূরণ দিতে প্রয়োজনীয় অর্থ শিগগিরই ছাড় করা হবে। সংস্থাটির কর্মকর্তা এবং মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধিরা প্রাথমিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব দিয়েছেন।
তারা আরও জানান, ৩ কোটি তুমান বা প্রায় ৩৮৭ মার্কিন ডলারের কম ক্ষয়ক্ষতির দাবিগুলো ইতোমধ্যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পরিশোধ করা হয়েছে। এর চেয়ে বড় ক্ষতির মামলাগুলোও দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, ইরানে সরকারের আরোপিত প্রায় সম্পূর্ণ ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট ১১তম সপ্তাহে গড়িয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নেটব্লকস। সংস্থাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, এই কঠোর সেন্সরশিপ ইরানের মানুষের দৈনন্দিন জীবন, তথ্যপ্রাপ্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি করেছে।
নেটব্লকসের মতে, দীর্ঘমেয়াদি সীমিত ইন্টারনেট ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অনলাইননির্ভর বিভিন্ন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।