একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের বর্তমান প্রশাসনের ভেতরে ক্ষমতার ভারসাম্য ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ভবিষ্যৎ পথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিচ্ছেন তিনি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধের শুরুর দিকে এক হামলায় ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন এবং ওই ঘটনায় মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হন। এরপর থেকেই তার শারীরিক অবস্থা এবং রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।
গোয়েন্দা সূত্রগুলোর মতে, যুক্তরাষ্ট্র এখনো কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজছে। হামলার কারণে ইরান ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তাদের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। পাশাপাশি কঠোর নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও দেশটি আরও কয়েক মাস পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এক সময়ের ওই হামলার পর মোজতবা খামেনিকে তার বাবার উত্তরসূরি হিসেবে ইরানের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয় বলে দাবি করা হয় প্রতিবেদনে। তবে তার বর্তমান অবস্থান নিয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মোজতবা খামেনি কোনো ইলেকট্রনিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করেন না। তিনি কেবল সরাসরি সাক্ষাৎ বা বিশ্বস্ত বার্তাবাহকের মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করেন।
অন্যদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের প্রোটোকল প্রধান মাজাহের হোসেইনি বলেছেন, খামেনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং বর্তমানে ভালো আছেন। তিনি আরও বলেন, “শত্রুরা নানা গুজব ছড়াচ্ছে, তবে সঠিক সময়ে তিনি নিজেই জনগণের সামনে আসবেন।”
সূত্র: সিএনএন