রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার এক নিবন্ধে মেদভেদেভ দাবি করেন, ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে দেওয়ার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি, ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্সের ইউরোপের পরিচয় হারানো নিয়ে মন্তব্য এবং ইউরোপের কিছু দেশের আন্তর্জাতিক সামরিক অভিযানে অংশ না নেওয়ার ঘটনা দুই মহাদেশকে একে অপরের থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি ইউরোপের ‘কৌশলগত স্বাধীনতা’র ধারণাকে আরও বাস্তব করে তুলছে, তবে প্রশ্ন হলো—বর্তমান দুর্বল ও অনাগ্রহী ইউরোপে ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত কে নেবে?
মেদভেদেভ আরও বলেন, জার্মানি ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতৃত্ব নিতে চাইলেও ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান কাঙ্ক্ষিত ফল আনতে পারেনি।
তার দাবি, জার্মানি আবারও সামরিক শক্তি বাড়ানোর দিকে ঝুঁকছে, যা প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে।
রাশিয়ার সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বলেন, মস্কো ১৯৪১ সালের মতো কোনো আকস্মিক আক্রমণ পুনরায় ঘটতে দেবে না এবং পশ্চিম সীমান্তে সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে।
তিনি আরও দাবি করেন, ইউরোপে সামরিকীকরণের প্রবণতা শুধু রাশিয়ার জন্য নয়, পুরো অঞ্চলের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ।
মেদভেদেভের মতে, জার্মানি হয় সামরিক পথে এগিয়ে গিয়ে সংকটে পড়বে, নয়তো বাস্তবতা মেনে রাশিয়ার সঙ্গে সংলাপে ফিরবে—এই দুই পথের যেকোনো একটিতে যেতে হবে।
ন্যাটো সম্প্রসারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পশ্চিমারা অতীতে পূর্বদিকে সম্প্রসারণ না করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, বাস্তবে তা মানা হয়নি।
সূত্র: পার্সটুডে