তবে পরে হাসপাতালের মূল ফার্মেসিতে ওই ওষুধ জমা,রোগীদের মধ্যে বিতরণ কিংবা ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্টক ও রেজিস্ট্রার পর্যালোচনা শুরু করেছে এবং ঘটনা তদন্ত করছে। স্থানীয় ফার্মেসিতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,প্রতি পিস কেফুক্লেভের দাম প্রায় ৬০ টাকা। সে হিসাবে ৫ হাজার পিস ট্যাবলেটের বাজারমূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা। এদিকে প্রায় দুই মাস ধরে হাসপাতালের বহির্বিভাগে কেফুক্লেভ ট্যাবলেটের সরবরাহ নেই বলে চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। ফলে হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে বিনামূল্যের এই অ্যান্টিবায়োটিক না পেয়ে দরিদ্র রোগীদের বাইরে থেকে টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে। হাসপাতালের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র অভিযোগ করেছে, বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে কেফুক্লেভ সংগ্রহ করে রেজিস্ট্রারের ঘাটতি সমন্বয়ের চেষ্টা করা হচ্ছে।
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাক্তার আহসান হাবীব বাপ্পী জানান,বিশেষ করে আমাদের অ্যান্টিবায়োটিক,যেসব ওষুধ দামি,সেগুলো আমরা সবসময় মনিটর করার চেষ্টা করি, রোগীরা ঠিকমতো পাচ্ছে কি না। তবে বিগত কয়েকদিন ধরে আমাদের কিছু ওষুধের গরমিল পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তদন্ত করছি, কোথায় কী ঝামেলা আছে। তদন্ত কমিটি গঠনের প্রস্তুতি চলছে। দ্রুতই এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।