তিনি বলেন, আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুধু একটি পাবলিক পরীক্ষা নয় বরং এটি শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সমাজের প্রত্যাশার সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এ পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিতে হবে।
বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
চেয়ারম্যান বলেন, লাখো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এইচএসসি পরীক্ষা। তাই পরীক্ষার গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করবে সততা, নিরপেক্ষতা ও সঠিক ব্যবস্থাপনার ওপর। এ ক্ষেত্রে কেন্দ্র সচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে যেন প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। একইসঙ্গে নকলমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা এবং এমন পরিবেশ সৃষ্টি করা, যাতে পরীক্ষার্থীরা ভয় বা উদ্বেগ ছাড়াই স্বাচ্ছন্দ্যে পরীক্ষা দিতে পারে সেদিকেও খেয়াল রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রকে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল রাখতে হবে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও প্রশ্নফাঁসের অপপ্রচার নিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে প্রশ্নফাঁস নিয়ে নানা ধরনের গুজব শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করে। এ কারণে কোনো ধরনের অপপ্রচারে গুরুত্ব না দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানান তিনি।
কেন্দ্র সচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মনে রাখবেন আপনারা শুধু একটি পরীক্ষা পরিচালনা করবেন না। আপনারা একটি প্রজন্মের স্বপ্ন রক্ষা করবেন। একটি জাতির ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন। আপনাদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বই পরীক্ষার সাফল্যের চাবিকাঠি।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।