সোমবার (২৪ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ'র আদালত তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী মাহফুজা আক্তার এতথ্য নিশ্চিত করেন।
গত ১৮ আগস্ট আসামিকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক মো. আব্দুস সালাম। ওইদিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য দিন রাখেন সোমবার।
ওই আবেদনের বলা হয়, তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার জুলাই আন্দোলন চলমান অবস্থায় আন্দোলনকারীদের দমনে কঠোর নির্দেশনা দেন এবং পাচার করা অর্থ ও দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ আন্দোলনে ব্যয় করেন। মামলাটির প্রাথমিক তদন্তে প্রাপ্ত আসামি নজরুল ইসলাম মজুমদার এর বিরুদ্ধে ভিকটিমকে হত্যার উদ্দেশ্যে মামলার অন্যান্য আসামিদের গুলি করার নির্দেশ ও আর্থিক সহায়তা করার সপক্ষে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। এমতাবস্থায় মামলাটির সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে আসামিকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো একান্ত প্রয়োজন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় গুলশানের শাহাজাদপুরে কনফিডেন্স টাওয়ারের সামনে আন্দোলন করছিলেন বৈষম্যবিরোধীরা। এসময় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা তাদের ওপর গুলি চালায়। এতে ভ্যানচালক জব্বার আলী হাওলাদারও গুলিবিদ্ধ হন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী জব্বার আলী হাওলাদার বাদী হয়ে গুলশান থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০৯ জনকে আসামি করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর রাতে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে নাসার নজরুলকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।