সোমবার (২৪ আগস্ট) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত এই আদেশ দেন।
রিমান্ডে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন- মো. আনোয়ারুল হক (৬২), জাকির হোসেন লিটন (৪৮) ও হিরু বড়ুয়া বাবু (৩৬)।
এর আগে, আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সূত্রাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রাসেল মোল্লা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক প্রত্যেকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক আবু সাঈদ এতথ্য নিশ্চিত করেন।
রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে একটি সাদা রঙের পাজেরো গাড়িতে করে অস্ত্র ও গুলি ঘটনাস্থলে নিয়ে আসে। মামলার পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং অস্ত্রের উৎস ও ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য আসামিদের সাত দিনের পুলিশ রিমান্ড একান্ত প্রয়োজন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ আগস্ট বিকেলে সূত্রাপুর থানাধীন নর্থব্রুক হল রোডের নাজিম উদ্দিন বারো ভূঁইয়া মার্কেটের ভূঁইয়া মোটরস নামের একটি দোকানে অভিযানে যায় পুলিশ। তাদের পেছনে পেছনে সেখানে তুরাগ থানার মামলার একটি এজাহারনামীয় আসামি ব্যারিস্টার মো. জাকি উল্লাহ বাহারসহ ৮/৯ জন ব্যক্তি সেখানে প্রবেশ করেন। তাদের সঙ্গে থাকা দুজনের হাতে দুটি শপিং ব্যাগ ছিল। পুলিশ সদস্যরা ব্যাগে কী আছে জানতে চাইলে তারা ব্যাগ দুটি রেখে দ্রুত দোকান থেকে চলে যান। পরে পুলিশ ব্যাগ দুটি তল্লাশি করে দুটি দেশীয় তৈরি দুটি পাইপগান ও দুটি ১২ বোরের তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে। এ ছাড়া ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংবলিত একটি ৬৪ জিবি HP USB পেনড্রাইভ এবং গ্রেপ্তার আসামিদের ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য মতে, গ্রেপ্তার আসামিরা নাজিম উদ্দিন বারো ভূঁইয়া মার্কেটের ভূঁইয়া মোটরসের মালিক হাফিজ উল্লাহ ভূঁইয়ার মার্কেট ও দোকানের মালামাল আত্মসাৎ করে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্র করে আসছিলেন। এর অংশ হিসেবে তাকে মিথ্যা অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে অস্ত্র ও গুলি দোকানে রাখেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।