অনুসন্ধানে জানা যায়, অরণ্য আবির নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ডাকসুতে শিবিরের প্যানেল থেকে নির্বাচন করা আবদুল্লাহ আল মাহমুদের একটি ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করা হয়। সেই পোস্টে জাইমা রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করা হয়। পোস্টটি শেয়ার দিয়ে ক্যাপশনে অরণ্য আবির নামের ওই ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছিলেন, দেখা যাক বিএনপি এই শিবির কর্মীর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিতে পারে কিনা।
তবে স্বাধীন ফ্যাক্টচেকার রিউমর স্ক্যানার জানিয়েছে, আবদুল্লাহ আল মাহমুদের যেই স্ক্রিনশট অরণ্য আবির নামের ফেসবুক আইডি থেকে শেয়ার করা হয়েছে, তা আসলে ভুয়া। জাইমা রহমানকে নিয়ে বিতর্কিত পোস্টটি মূলত ঈশান চৌধুরী নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে দেয়া হয়েছিল।
তবে এই তথ্য যাচাই না করেই শাহবাগ থানায় ডাকসু নেতাদের ওপর ছাত্রদল নেতাকর্মীরা চড়াও হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে ছাত্রশিবির।
এদিকে ঘটনার পর এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিককে উদ্ধার করে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষে নেওয়া হয়। সে সময় থানার সামনে ছাত্রদলের নেতা–কর্মীসহ বিক্ষুব্ধ একদল লোক অবস্থান নেন।
এক ঘণ্টার বেশি সময় এই অবস্থা চলার পর জুবায়ের ও মুসাদ্দিককে শাহবাগ থানা জামে মসজিদের ফটক দিয়ে বের করে নেওয়া হয়। পরে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
এ বি জুবায়ের ডাকসুর (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) সমাজসেবা সম্পাদক এবং মুসাদ্দিক ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক। গত বছরের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সমর্থন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন তাঁরা।