সংবাদ সম্মেলনে বাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, ভোলা জেলার ভেদুরিয়া ফেরিঘাট থেকে ইলিশা ফেরিঘাট পর্যন্ত সড়কটি জাতীয় মহাসড়ক এবং পরাণগঞ্জ থেকে চরফ্যাশন দক্ষিণ আইচা পর্যন্ত ১১০কিলোমিটার সড়ক আঞ্চলিক মহাসড়ক। বিআরটিএর নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে সিএনজি, অটোরিকশাসহ অন্যান্য যাত্রীবাহী থ্রি হুইলার চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু ভোলার থ্রি হুইলার চালকরা এই আইনের তোয়াক্কা না করে যত্রতত্র চলাচল করছে। তাছাড়া সিএনজিগুলোতে তিনজন যাত্রী পরিবহনের কথা থাকলেও পাঁচজন পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন করছে। সিএনজি চালকদের বেপরোয়া গতিতে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে চলাচল করলেও বিআরটিএ এসব থ্রি হুইলারের বিরুদ্ধে কোন প্রকার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। এতে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মৃত্যু বরণ করছেন সাধারণ যাত্রী। পঙ্গুত্ব বরণ করছেন শতশত মানুষ। সড়কে এসব বেআইনি যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা না হলে এ মৃত্যুর মিছিল আরও বড়বে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
মালিক সমিতির নেতারা আরো বলেন, বাস, মিনিবাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান এসব যানবাহন সমিতির নিয়ন্ত্রণে চলাচল করছে। কিন্তু থ্রি হুইলারগুলোর কোন নিয়ন্ত্রণ সংস্থা নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। নিরাপদ সড়কের স্বার্থে এগুলোকে বিআরটিএর আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম খান, সহ সভাপতি হাসান মাকসুুর রহমান, সহ সভাপতি হুমায়ুন কবির সেলিম ও মুনতাসীর আলম রবীন চৌধুরী প্রমূখ।