এর আগে ২০১৯ সালে ৩০ জুন দিনগত রাতে উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ফুলকাচিয়া গ্রামে বসতঘরের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা গেছে, মোক্তার হোসেনের সাথে পারিবারিক ভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আফজুন বেগম। প্রায় ১৫ বছরের সাংসারিক জীবনে দুই সন্তান রয়েছে।
কিন্তু আসামি মোক্তার হোসেন তার ছোট শ্যালিকাকে প্রায়ই বাজে ইঙ্গিত করতেন,এবং বিষয়টি তিনি তার বড় বোনকে জানালে তিনি প্রতিবাদ করেন। আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে আফজুন বেগমকে তার স্বামী প্রায়ই মারধর ও নানা ধরনের নির্যাতন চালাতো এবং হত্যার হুমকি দেয়। পরবর্তীতে মোক্তার হোসেন ২০১৯ সালে ৩০ জুন দিনগত রাতে ঘরের মধ্যে আফজুন বেগমকে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে জামাতা মোক্তার হোসেনকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ভোলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো.তৈয়ব বলেন,এ মামলায় আসামি তার স্ত্রীকে গলাটিপে নির্মমভাবে হত্যা করেছে বলে শিকার করেছেন। মামলাটি তদন্ত হয়েছে এবং আসামি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। স্বাক্ষী এবং নিহতের ময়নাতদন্তের রিপোর্টসহ সকল বিষয় পর্যালোচনা করে সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত হওয়ায় আদালত আসামিকে মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রদান করেন।