এত বিশাল আয় দিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছে সিনেমাটি। অ্যান্ড্রু স্ট্যান্টন পরিচালিত এই কিস্তিতে তুলে ধরা হয়েছে আধুনিক সময়ের শিশুদের প্রযুক্তিনির্ভর জীবনের গল্প। খেলনার বদলে ‘লিলিপ্যাড’ নামের একটি স্মার্ট ট্যাবলেটের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ে বনি। আর সেই পরিবর্তিত বাস্তবতায় নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয় উডি, বাজ লাইটইয়ার, জেসি ও তাদের সঙ্গীরা।
সিনেমাটিতে বিভিন্ন চরিত্রে কণ্ঠ দিয়েছেন টম হ্যাঙ্কস, টিম অ্যালেন, গ্রেটা লি, কোনান ও’ব্রায়েন এবং শেলবি রাবারা।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ভ্যারাইটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিজনি-পিক্সারের অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে এটিই সর্বকালের সর্বোচ্চ ওপেনিং উইকেন্ড আয়। একই সঙ্গে ২০২৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত হলিউড সিনেমাগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয়ও এখন ‘টয় স্টোরি ৫’-এর দখলে।
ছবিটির মোট আয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বাজার থেকে এসেছে ১৬০ মিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আয় হয়েছে ১৫২ মিলিয়ন ডলার। এর আগে ‘টয় স্টোরি’ ফ্র্যাঞ্চাইজির সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয়ের রেকর্ড ছিল ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘টয় স্টোরি ৪’-এর, যার প্রথম সপ্তাহান্তের আয় ছিল ২৩৮ মিলিয়ন ডলার।
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বাইরে সবচেয়ে বেশি আয় করেছে মেক্সিকো, যেখানে ছবিটি আয় করেছে ২৬ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে যুক্তরাজ্য (২০ মিলিয়ন ডলার), চীন (১৮ মিলিয়ন ডলার) এবং ফ্রান্স (৭ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার)।
প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার বাজেটে নির্মিত ‘টয় স্টোরি ৫’ শুরু থেকেই দর্শকদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছে। সমালোচকরাও ছবিটির গল্প ও নির্মাণশৈলীর প্রশংসা করছেন। ফলে এটি বছরের অন্যতম বড় ব্লকবাস্টার হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।