রেকর্ড করা হয়েছিল ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫৪ শতাংশ।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল থেকে একই ধরনের তাপমাত্রা বিরাজ করছে। বেলা ১২ টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসের আদ্রতা ৩৯ ভাগ। এবং বিকেল ৩ টার সময় চুয়াডাঙ্গার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩১ শতাংশ।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তপ্ত হতে শুরু করে চুয়াডাঙ্গার জনপদ। প্রখর তাপ আর ভ্যাপসা গরমে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। জীবিকার তাগিদে রোদে পুড়ে কাজ করতে হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষকে। রোদের তীব্র প্রখরতায় প্রচণ্ড গরম অনুভূত হচ্ছে। গরমে ঘরে-বাইরে কোথাও মিলছে না স্বস্তি। অসহনীয় তাপপ্রবাহের মধ্যে খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ।
জেলা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক জাহিদুল হক জানান, এপ্রিলের প্রথম দিনেই চুয়াডাঙ্গায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। ওই দিন বুধবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।বৃহস্পতিবার থেকে জেলার উপর দিয়ে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চলতি মৌসুমে প্রথমবারের মতো তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি হয়েছে। তিনি আরো জানান, এই ধরনের তাপমাত্রা আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।