অভিযোগ রয়েছে, ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় মোট নাম ছিল ৩০০ শত তার ভিতর থেকে ২০ টি নামের পরিবর্তন হয়। ২০টি নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া উপকারভোগীদের বই দেওয়ার সময় প্রত্যেকের কাছ থেকে ৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ভিজিডির উপকারভোগীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতি মাসের নিয়ম অনুযায়ী ভিজিডি কার্ডধারীদের ৩০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে পরিবর্তিত বই বিতরণের সময় বইয়ের জন্য ৩০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে—এমন অভিযোগ করেছেন কয়েকজন উপকারভোগী।
ভুক্তভোগীদের দাবি, সরকারি কোনো ফি নির্ধারিত না থাকলে ভিজিডির বই দেওয়ার নামে কেন টাকা নেওয়া হচ্ছে, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা খলিলুর রহমানের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।
এ বিষয়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুপ কুমার পাল বলেন আমি আপনাদের মাধ্যমে অবগত হলাম বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।