ম্যাচের চার মিনিটে তাইপের চি হুসান ফিল্ড গোল করে লিড এনে দেন দলকে। প্রথম কোয়ার্টারের শেষ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে আশরাফুল ইসলামের গোলে বাংলাদেশ সমতা আনে। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে পাঁচ মিনিট পর আশরাফুলের পেনাল্টি কর্নার থেকেই বাংলাদেশ লিড নেয়। ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে বাংলাদেশ ড্রেসিংরুমে ফেরে।
তৃতীয় কোয়ার্টারে আমিরুল ইসলাম পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করলে বাংলাদেশের ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয়। আমিরুল যুব হকি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পেয়েছিলেন। জাতীয় দলেও তার পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করার বিশেষত্ব বজায় রেখেছেন। এই কোয়ার্টারে বাংলাদেশ আরও তিনটি পেনাল্টি কর্নার পেলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। তৃতীয় কোয়ার্টার ৩-১ স্কোরলাইনে শেষ হয়।
চতুর্থ ও শেষ কোয়ার্টার ছিল চরম নাটকীয়তা। চাইনিজ তাইপে এই কোয়ার্টারের শুরুতে তিন পেনাল্টি কর্নার আদায় করে বাংলাদেশকে চাপে রাখে। বাংলাদেশ সেই চাপ সামলে উল্টো ৫৯ মিনিটে দ্বীন ইসলাম ইমন পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করলে বাংলাদেশের লিড ৪-১ হয়। ঐ মিনিটেই তাইপের চি হুসান গোল করে ব্যবধান কমিয়ে ৪-২ করেন৷ ১৪ সেকেন্ড পর পেনাল্টি কর্নার থেকে তাইপে আরেক গোল করলে খেলায় উত্তেজনা ফিরে আসে। বাকি ৫০ সেকেন্ড বাংলাদেশ অতি সতর্ক থেকে শেষ করায় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরেছে।
বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আগামীকাল। দুই গ্রুপের দুই চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল সেমিফাইনাল খেলবে। চার সেমিফাইনালিস্ট এশিয়ান গেমসে খেলার সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ এই বাছাই টুর্নামেন্টে একাধিকবারের চ্যাম্পিয়ন।