নিজের খেলার ধরন নিয়ে লিটন বলেন, ‘আমার রোল একটু ভিন্ন। টেস্টে মাঝে মাঝে ব্যাট করতে হয় মুশফিক ভাইয়ের সাথে, মিরাজের সাথে। সাথে ব্যাটার থাকলে মাইন্ড সেটআপ অন্যরকম থাকে। আপনি জানেন সিঙ্গেল চাইলে সিঙ্গেল হয়ে যাবে। টেল এন্ডাররা তো খুব একটা শক্তিশালী না, যাদের প্রতি ওভারে খেলার সুযোগ করে দেবো। ভবিষ্যতে যদি টেল আরও ভালো ব্যাটিং করে, প্রথম বলে সিঙ্গেল নিয়ে নিলেও ওরা খেলতে পারবে। কঠিন… টেলে যারাই ব্যাট করছে, তাইজুল ভাই, তাসকিন, শরিফুল- তিনজনই অনেক বল মোকাবেলা করেছেন। যেটা বিগ টোটাল। রান তো আমাকেই করতে হবে, ব্যাটার হিসেবে দায়িত্বও আমার- স্বাভাবিক। তবে তারা উইকেটে থাকলে কাজ সহজ হয়ে যায় আমার।’
রাওয়ালপিন্ডির দ্বিতীয় টেস্টের কথা মনে হয়েছিল কি না প্রশ্নে লিটন বললেন, ‘অনেকটাই। রানের চাপ সবারই থাকে। স্কোরিংয়ের সুযোগ দেখুন, পেস বলে ছক্কা মেরে রান করতে হয়েছে। এত সহজ ছিল না। আউটফিল্ড অনেক স্লো। ভাগ্যের ব্যাপার বলব, ক্রিকেটে সবসময় একশয় একশ থাকবেন তা না। ভাগ্যও কাজে লাগাতে হয়।’
রাওয়ালপিন্ডির পর শ্রীলঙ্কার সাথে মিরপুরে, তারপর আজ—কোন সেঞ্চুরিকে এগিয়ে রাখবেন লিটন। তিনি উত্তর দিলেন, ‘শ্রীলঙ্কার সাথে যে ইনিংস ছিল, পুরোপুরি ভিন্ন। মুশফিক ভাইর সাথে জুটি ছিল। পার্টনার ব্যাটার হলে মাইন্ডসেট ক্লিয়ার থাকে। রাওয়ালপিন্ডিতে মিরাজ ছিল। আজ একেবারেই ভিন্ন। যখন ২-৩ রানে আমি তখনই তাইজুল ভাই আসে। সেঞ্চুরি বলে-কয়ে মানুষ করতে পারে না। আমি চিন্তিতও না যে সেঞ্চুরি করতেই হবে। আমার টার্গেট ছিল রান কীভাবে আসে। তাইজুল ভাই যখন এসেছে, বোর্ডে আমাদের রান ১১৬। কীভাবে দলকে ২০০ পর্যন্ত নেওয়া যায়। অবশ্যই এই টার্গেট আমাকেই পূরণ করতে হবে। টেল এন্ডাররা তো রান করবে না। একটা বিষয়ে জানতে চেয়েছিলাম যে অ্যাটাকিংয়ে যাব কিনা। বলেছে রানের জন্য খেলতে।’