বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অর্জন ও ইতিবাচক প্রভাবের স্বীকৃতি হিসেবে চারটি ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার দেওয়া হবে। ক্যাটাগরিগুলো হলো- জ্ঞান ও টেকসই উন্নয়ন, সংস্কৃতি–সৃজনশীলতা ও ক্রীড়া, সামাজিক উদ্যোগ এবং ব্যবসা ও উদ্ভাবন। যোগ্য আবেদনকারীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক—উভয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতার সুযোগ পাবেন।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের বিচারকমণ্ডলী ২৮ জন চূড়ান্ত প্রতিযোগীর মধ্য থেকে চারজনকে আন্তর্জাতিক বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত করবেন। বিজয়ীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের পরিচিতি বাড়ানো এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক বিস্তারের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি ক্যারিয়ার সমৃদ্ধ করতে যুক্তরাজ্যে বিশেষ নেটওয়ার্কিং সফরে অংশ নেওয়ার সুযোগও থাকবে।
বাংলাদেশে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগীদের সম্মান জানাতে বিশেষ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। আবেদনের শেষ সময় ১৫ অক্টোবর ২০২৬। বাংলাদেশে জাতীয় পর্যায়ের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে ২০২৭ সালের আগস্টে। এ ছাড়া ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বিজয়ীদের গল্প ও সাফল্যের কথা তুলে ধরবে ব্রিটিশ কাউন্সিল।
গত বছর বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশ থেকে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ৮০০ জনের বেশি সাবেক শিক্ষার্থী এ পুরস্কারের জন্য আবেদন করেন। স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডসের দ্বাদশ সংস্করণেও ব্যাপক সাড়া পাওয়া যায়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশ ও খাতের বিজয়ী এবং চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগীদের সম্মাননা দেওয়া হয়।
গত বছরের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবারও আবেদন আহ্বান করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিল্প ও ব্যবসার খাত গড়ে তোলা, উদ্ভাবনে ভূমিকা রাখা এবং সমাজে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করা যুক্তরাজ্যের সাবেক শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দেওয়াই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস ২০২৭ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ডেপুটি ডিরেক্টর মারিয়া রেহমান বলেন, “যুক্তরাজ্যের সাবেক শিক্ষার্থীরা সেখানে অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কীভাবে নিজেদের সমাজ, কর্মক্ষেত্র ও বৃহত্তর সমাজের কাজে লাগাচ্ছেন, তা অনন্যভাবে উদযাপন করে স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস। বাংলাদেশের যুক্তরাজ্য অ্যালামনাইদের মধ্যেও আমরা তাঁদের বৈচিত্র্যময় কাজ ও অনুপ্রেরণার জায়গাগুলো স্পষ্টভাবে দেখতে পাই। কেউ বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছেন, কেউ সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছেন, আবার কেউ সৃজনশীল উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন কিছু করছেন।”
তিনি আরও বলেন, “আমি সকল যোগ্য যুক্তরাজ্য অ্যালামনাইকে এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের সাফল্য উদযাপন এবং এর পেছনের গল্প সবার সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানাচ্ছি। এর মাধ্যমে তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পরিবর্তনকামী মানুষের একটি কমিউনিটির সঙ্গেও যুক্ত হতে পারবেন। এই অ্যাওয়ার্ড শুধু অ্যালামনাইদের অর্জনের স্বীকৃতি নয়, বরং তাঁদের কাজের প্রভাব আরও বিস্তৃত করা এবং নতুন সুযোগ ও নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার একটি মাধ্যমও।”
আবেদনের বিস্তারিত তথ্য, ক্যাটাগরি, আবেদনপ্রক্রিয়া ও যোগ্যতার শর্তাবলি জানতে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন: স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস ২০২৭