সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় ঈদুল আজহার সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান। বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জনসাধারণের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সড়কের ওপর হাট বসানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। পাশাপাশি সড়ক, রেল ও নৌপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নৌপথে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফেরিঘাটে বাস থেকে যাত্রী নামিয়ে তারপর ফেরিতে ওঠার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ঘাটে সাইনবোর্ড ও মাইকিং থাকবে। কোনো চালকের গাফিলতি পাওয়া গেলে তার লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়কের পাশে থাকা ট্রমা সেন্টারগুলো সক্রিয় করা হবে এবং উপজেলা ও জেলা হাসপাতালগুলো ঈদের আগে থেকেই প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে ঈদের সাত দিন আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পুলিশ সদর দফতরে একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হবে, যা সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মহাসড়ক পর্যবেক্ষণ করবে।
এছাড়া কোরবানির পর ঢাকার বাইরে থেকে সাত দিন পর্যন্ত রাজধানীতে কাঁচা চামড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে। চামড়া স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং মাদ্রাসা ও এতিমখানার সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ১২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মন্ত্রী, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, আইজিপি এবং গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানরা।