ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলম জানান, ঢাকা মেডিকেলে দালালচক্র বহুদিন ধরে সেখানকার রোগীদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে প্রতারণা করে আসছিল। নানান কৌশলে তাদেরকে ভাগিয়ে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নেয়ার পাশাপাশি তাদের টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিতো।
তিনি জানান, তাদেরকে আটকের পর শাহবাগ থানায় নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে তাদেরকে রমনা বিভাগের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে যাচাই-বাছাই শেষে তাদের শাস্তি নির্ধারণ করবেন ম্যাজিস্ট্রেট।
মো. মাসুদ আলম জানান, আটক ৪৫ জনের মধ্যে ১৯ জন রয়েছেন বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভ। তাদের হাসপাতাল ভিজিটের নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। সেটি সোম ও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার পর। কিন্তু আজ সোমবার তারা সেই সময়ের আগেই হাসপাতালে ঢুকেছিল। সেজন্য তাদেরকেও আটক করা হয়েছে। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাদের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেবেন।
এসব ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভদের আটকের খবর শুনে শাহবাগ থানার সামনে জড়ো হন তাদের শতাধিক সহকর্মী ও কোম্পানির কর্মকর্তারা। সহকর্মীদের ছাড়ানোর জন্য তারা তদবির করতে থাকেন।
ফার্মাসিউটিক্যালস্ রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাসোসিয়েশনের (ফারিয়া) সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, হাসপাতাল ভিজিটে আমাদের সপ্তাহে সোম ও বৃহস্পতিবার নিয়ম করে দেয়া হয়েছে। আজ সোমবারের ভিজিটেই ছিলেন আমাদের রিপ্রেজেন্টেটিভ। সেখান থেকে তাদেরকে আটক করা হয়েছে। এটির প্রতিবাদ করছি আমরা।