এ দিকে হেনায়ারা খানম বিগত ১৯ অক্টোবর ২০২৫ সালে যোগদানের পর থেকে অনলাইনে কোন ভিজিট করেননি।
অনলাইন ভিজিটে দূর্নীতির সুযোগ না থাকায় তিনি ম্যানুয়াল ভিজিট দেখিয়ে মাগুরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অনুমোদন নিয়ে আরো ৬৫০০০ টাকার টিএ বিল দাখিল করেছেন বলে হিসাব রক্ষন অফিস সুত্রে জানা গেছে।
গত অর্থবছরে ২লক্ষ ৪০ হাজার টাকার টিএ ও অফিস কন্টিজেন্সি ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার কোন কাজ না করে ভুয়া ভাউচারে টাকা তুলে নেন টিইও হেনায়ারা খানম।সরকারী টাকা আত্মসাৎ করা হেনায়ারা খানমের স্বভাব।
কোনো প্রকার অনলাইন ভিজিট ছাড়া স্কুলের প্রধান শিক্ষককে পরিদর্শন খাতাসহ অফিসে ডেকে নিয়ে স্বাক্ষর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে একাধিক সূত্র থেকে।ফলে স্কুলের শিক্ষার মান তদারকি হচ্ছে না।
টিইও হেনায়ারা খানম শুধু বরাদ্দপ্রাপ্ত স্কুলে গিয়ে পারসেন্ট নিয়ে আসেন। শালিখা উপজেলা আইনশৃংখলা মিটিং, সমন্বয় মিটিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সভায়ও তিনি উপস্থিত থাকেন না বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এমনকি মন্ত্রী এ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী এমপি,র প্রোগ্রামেও তিনি অনুপস্থিত থাকেন। সাবেক ইউএনও ও ডিসি হেনায়ারা খানমের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে লিখেও বদলি করাতে পারেনি।তারপর ইউএনও ও ডিসি মহোদয় বদলি হয়ে গেলে হেনায়ারা খানম আনন্দে উক্ত দুইজন কর্মকর্তার বদলিতে অফিসে তার পছন্দের শিক্ষকদের বিরিয়ানি ও কোক পানি খাওয়ান। শালিখার বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের বরাদ্দ থেকে স্কুল প্রতি ২০/৩০ হাজার টাকা নিয়ে চেক প্রদান করেছেন বলে জানা গেছে।
একজন প্রধান শিক্ষক টাকা না দেওয়ায় তার চেক দেননি এবং ঐ স্কুল এক মাসে হেনায়ারা খানম ৪/৫ বার ভিজিট করেছেন বলে জানা যায়।
এদিকে চামচ চুরি, দুধ নিয়ে আসা ও ফল নিয়ে শিক্ষকদের দিয়ে টাকা পরিশোধ করানোর ঘটনায় সারা দেশের লোক জানলেও মাগুরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ডিপিও আমিরুল ইসলাম কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
এই সব অপকর্মে হেনায়ারা খানম, আনোয়ারুল কবীর কাজল নামের একজন শিক্ষককে দিয়ে টাকা উঠান বলে একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেন।
হেনায়ারা খানম, পুতুল নামের এই টিইও শালিখার প্রাথমিক শিক্ষা শেষ ও ধ্বংস করে দিচ্ছে।
আওয়ামী সরকার আমলের নিয়োগপ্রাপ্ত এই দূর্নীতিবাজ শিক্ষা অফিসার হেনায়ারা খানমের অনিয়মে শালিখার শিক্ষক ও শিক্ষা ব্যবস্থা হুমকির মধ্যে!!
মাননীয় মন্ত্রী এ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী এমপি,র নির্বাচনী এলাকায় এই অনিয়মে শালিখাবাসী হতাশ!