মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) সরেজমিনে হয়রানির সত্যতা পাওয়া যায়। দালালদের দৌরাত্ম্য ও অফিসের কর্মচারীদের কাছে জিম্মি হয়ে ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তারুন্দিয়া এলাকার আব্দুল হক নামে এক ভুক্তভোগী ১৩ শতাংশ জমি খারিজের জন্য এক মাস ধরে ঘুরেও কাগজ পাননি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে উচাখিলা এলাকার আম্বিয়া খাতুন নামে এক স্কুল শিক্ষিকা খারিজ না পাওয়ায় জমি বিক্রি করতে না পেরে বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
এছাড়া কৃষক ও ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, অফিসের দালালদের মাধ্যমে হাজার হাজার টাকা ঘুষ না দিলে ফাইল সামনেই নেওয়া হয় না এবং সাধারণ মানুষকে চরম হয়রানির শিকার হতে হয়।
এদিকে গত সোমবার (০৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে এসিল্যান্ডের বাসায় নামজারির সরকারি ফাইল নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তাঁর বক্তব্যে চরম অসংগতি দেখা দিয়েছে। রমজান নামের একজন নাইটগার্ড রাতে নথি নিয়ে এসিল্যান্ডের বাসায় যাওয়ায় তাদের কাজ নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে। নাইটগার্ডের দায়িত্ব নিরাপত্তা দেওয়া হলেও তিনি সাংবাদিকদের জানান যে তিনি বাসায় ফাইল নিয়ে গিয়েছিলেন। যার প্রেক্ষিতে এসিল্যান্ড প্রথমে বলেন নাইটগার্ড তাঁর বাসায় বাজার দিতে গিয়েছিলেন এবং পরে বক্তব্য বদলে দাবি করেন এক ক্যান্সার রোগীর ফাইল মানবিক কারণে সই করতে নেওয়া হয়েছিল।
একই ঘটনায় এসিল্যান্ডের এই দুই ধরনের ব্যাখ্যা এবং অনলাইনে নথি থাকা সত্ত্বেও রাতে বাসায় ফাইল নেওয়া নিয়ে দাপ্তরিক স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এসিল্যান্ড সালাউদ্দিন বিশ্বাস সবকিছু নিয়ম মেনে হচ্ছে দাবি করলেও, স্থানীয় ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দুর্নীতি ও হয়রানির দ্রুত অবসান দাবি জানিয়েছেন।