ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান করে জিম্বাবুয়ে। জবাবে ১ বল ও ১ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া। আর এই জয়ের মাধ্যমে সিকান্দার রাজাদের হোয়াইটওয়াশ করল অজিরা।
২৭২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটাই ভালো হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। দলীয় ২৫ রানের মাথায় সাজঘরের পথ ধরেন দুই ওপেনার। মিচেল মার্শ ৫ বলে ৮ ও ট্র্যাভিস হেড ৬ বলে ৬ রান করেন। আর দ্বিতীয় উইকেটে ব্যাট করতে নেমে ৩৯ বলে ২১ রান করেন কুপার কনোলি।
চতুর্থ উইকেটে দলকে বড় জুটি উপহার দেন জশ ইংলিশ ও অ্যালেক্স ক্যারি। দুজন মিলে গড়েন ৮৫ রানের জুটি। তখন পর্যন্ত মনে হচ্ছিলো সহজ জয়ই পেতে যাচ্ছে অজিরা। কিন্তু এই জুটি ভাঙার পর একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে অস্ট্রেলিয়া। আবার ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে থাকে সফকারীরা।
তবে নাথান এলিসের বীরত্বে জয় পায় অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ১০৩ রান করেন জশ ইংলিশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন নাথান এলিস। বাকি ব্যাটারদের কেউই বিশের কোটা পার করতে পারেননি।
জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন ব্র্যাড ইভান্স। সিকান্দার রাজা ও গ্রায়েম ক্রেমার দুটি করে উইকেট নেন।
হারারেতে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৩৪ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। ১৩ বলে ৭ রান করে আউট হন বেন কারান। আরেক ওপেনার ব্রায়ান বেনেট আউট হওয়ার আগে করেন ২৯ বলে ৩০ রান। আর ১৬ বলে ৯ রান আসে ব্রেন্ডন টেলরের ব্যাট থেকে।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে আসে ৮০ রান। ইনোসেন্ট কায়া ও ক্রেইগ আরভিনের জুটিটা আরও বড় হতে পারতো। কিন্তু রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফেরেন কায়া। ৬৬ বলে ৫৫ রান করেন তিনি। এরপর সিকান্দার রাজাকে নিয়ে ৬১ রানের জুটি গড়েন আরভিন। অ্যাডাম জাম্পার বলে আউট হওয়ার আগে ৫৯ রান করেন তিনি।
আরভিনের ফেরার পর দ্রুত তিন উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। ১ রানে ওয়েসলে ম্যাধভেরে, ১১ রানে ব্র্যাড ইভান্স ও ১ রানে গ্রায়েম ক্রেমার আউট হন। এদিকে আপনতালে খেলতে থাকেন দলনেতা রাজা। ফিফটি তুলে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৮১ রানে। ৭২ বলে খেলা ইনিংসটি সাতটি চার ও একটি ছয়ে সাজানো।
অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে সফল বোলার নাথান এলিস। সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন তিনি। এছাড়া দুটি করে উইকেট নেন স্পেন্সার জনসন ও অ্যাডাম জাম্পা।