স্বাগতিকরা বেশিরভাগ সময় বলের দখল রাখলেও স্কোরবোর্ডে আধিপত্য ছিল ভিলার। হাফটাইমে তারা ১-০ তে এবং ৭৯ মিনিটের মধ্যে ৩-০ তে এগিয়ে যায় তারা। তারপর স্পাররা দুটি গোলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমিয়ে তুললেও ফলাফল পাল্টে দিতে পারেনি।
প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমের চতুর্থ মিনিটে বোবাকার কামারার বানিয়ে দেওয়া বলে বাঁ পায়ের শটে জোহান মানজাম্বি গোল করেন। তার পাস ধরে ৬৭ মিনিটে ভিলাকে দ্বিগুণ ব্যবধানে এগিয়ে দেন নিকোলাস জ্যাকসন। ১০ মিনিট পর এমিলিয়ানো বুয়েন্দি ডানপায়ের স্ট্রাইকে স্কোর ৩-০ করেন। এই সময়ের মধ্যে ভিলা লক্ষ্যে ৬টি শট নিয়েছিল।
টটেনহ্যাম পাল্টা জবাব দিয়েছে। কিন্তু ততক্ষণে সময়ের স্রোত অনেক দূর গড়িয়েছে। ৮৬তম মিনিটে মোহাম্মদ কুদুসের দারুণ কাজের পর কনর গ্যালাঘার একটি গোল শোধ দেন। লিগে ৪৪৬ মিনিট পর চলতি মৌসুমে প্রথম গোল করে স্পাররা। ইনজুরি টাইমে অ্যান্ডি রবার্টসনের বাড়িয়ে দেওয়া বলে জ্যান ফল ফন হেক হেড করে শেষটা জমিয়ে দেন।
স্পাররা ৬৪ শতাংশ বলের দখল রেখেছিল। তাদের শট ছিল ২০টি, বিপরীতে ভিলার ১৫টি। টটেনহ্যাম ভিলার একটির বিপরীতে কর্নার পেয়েছিল ১১টি। ফাইনাল থার্ডে তারা ৬৪ বার আক্রমণ চালিয়েছিল, কিন্তু ভিলার জমাট রক্ষণভাগ স্বাগতিকদের বোতলবন্দি করে রাখে। ৩৭টি ক্লিয়ারেন্স ও ১৫ ইন্টারসেপশনই তাদের দারুণ রক্ষণের প্রমাণ দিচ্ছে।
আর গোলপোস্টের নিচে ভিলার জিওন সুজুকি ছিলেন দুর্দান্ত। পাঁচটি সেভ করেন, হাই ক্লেইম ছিল চারটি, পাঞ্চ তিনটি। বক্সের মধ্যে তার আধিপত্যের প্রমাণ এই পরিসংখ্যান। কিন্তু শেষ দিকে তাদের রক্ষণভাগ চিড়ে ফেলতে সফল হয় টটেনহ্যাম। লিগের পঞ্চম ম্যাচে এসে প্রথম গোলের দেখা পেলেও তৃতীয় হার বরণ করে নিতে হয়।
পাঁচ ম্যাচে দুই ড্র ও তিন হারে ২ পয়েন্ট নিয়ে রেলিগেশন অঞ্চলে টটেনহ্যাম। ১৮ নম্বরে তারা। আর প্রথম জয়ে চার পয়েন্ট নিয়ে ১৫তম ভিলা।