বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, হরমুজ প্রণালি ঘিরে অস্থিরতার মধ্যেও এই ছাড়ের কারণে রাশিয়ার তেল আমদানি অব্যাহত রাখতে পেরেছিল ভারত। তবে নতুন সিদ্ধান্তে সেই সুযোগ কার্যত বন্ধ হতে যাচ্ছে।
সরকারি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা যায়, নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকার সময় ভারত রাশিয়া থেকে প্রায় ৩ কোটি ব্যারেল তেল আমদানির জন্য অর্ডার দেয়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ভারতীয় তেল শোধনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো—যেমন রিলায়েন্স—রাশিয়ার রসনেফট ও লুকওইলের কাছ থেকে তেল সংগ্রহ করেছিল।
বুধবার মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানান, রাশিয়ার তেলের ওপর দেওয়া সাধারণ লাইসেন্স নবায়ন করা হবে না। একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ইরানের তেলের ক্ষেত্রেও।
এর আগে গত ১১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব দপ্তর ভারতীয় তেল শোধনাগারগুলোকে সমুদ্রে ভাসমান রাশিয়ার তেলবাহী ট্যাঙ্কার থেকে তেল কেনার অনুমতি দিয়েছিল। পরে ইরানের তেল কেনার ক্ষেত্রেও সাময়িক ছাড় দেওয়া হয়।
রাশিয়ার তেল কেনার অনুমতির মেয়াদ ছিল ১১ এপ্রিল পর্যন্ত এবং ইরানের ক্ষেত্রে তা ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল। নতুন করে মেয়াদ না বাড়ানোর সিদ্ধান্তে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা ও সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।