ফোনালাপে তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা অব্যাহত রাখা ইরানের জনগণের মৌলিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যৌথ প্রত্যাশাকেও প্রতিফলিত করে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আলোচনায় সাম্প্রতিক ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংলাপের অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি জানান, তেহরান শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে পেতে আগ্রহী।
আরাঘচি বলেন, আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে চীনের ধারাবাহিক ভূমিকার প্রশংসা করে ইরান এবং যুদ্ধবিরতি ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় বেইজিংয়ের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করে।
জবাবে ওয়াং ই বলেন, চীন সবসময় ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষায় সমর্থন দিয়ে আসছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য চার দফা প্রস্তাব দিয়েছেন, যা সংকট সমাধানে একটি ‘চীনা দৃষ্টিভঙ্গি’ হিসেবে কাজ করতে পারে।
তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধ ও শান্তির মধ্যবর্তী সংকটময় পর্যায়’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এখনো শান্তির একটি সুযোগ রয়েছে, যা কাজে লাগানো জরুরি।
ওয়াং ই হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সার্বভৌম অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌচলাচল পুনরুদ্ধার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একটি অভিন্ন দাবি। চীন ভবিষ্যতেও উত্তেজনা কমাতে, আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করতে এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।