উপজেলা প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নতুন ঘর নির্মাণের জন্য ঢেউটিন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলোর মাঝে শুকনো খাবার চলমান রয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে বিতরণের জন্য রাতের রান্না করা খাবার প্রস্তুত ও সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। ইউএনও মো. নাজমুল হাসান বলেন, “দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্ব। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা প্রশাসন জানান, গত একসপ্তাহ ধরে প্রচন্ড অতিবৃষ্টি কারনে যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় মাঠ প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে।