এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশের সোয়া ছয় লাখের বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী। তারা নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানিয়েছেন।
এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী সোমবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন ও ভাতা পেয়ে থাকেন। তাই তাদেরও নতুন পে-স্কেলের আওতায় আনার বিষয়টি সরকার সদয় বিবেচনা করবে বলে আশা করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নবম পে-স্কেলের অন্তর্ভুক্ত করে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
জানা গেছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা প্রতি মাসে সরকারের কাছ থেকে মূল বেতন ও নির্ধারিত কিছু ভাতা পান। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সোয়া ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত রয়েছেন।
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্যমতে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে রয়েছেন ৩ লাখ ৯৮ হাজার, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় পৌনে ২ লাখ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী।
এদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা এত দিন সরকারের কাছ থেকে মূল বেতনের পাশাপাশি মাসে ১ হাজার টাকা বাড়িভাড়া ও ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পেয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি আন্দোলনের মুখে সরকার তাদের বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ১৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাড়িভাড়া ভাতার এই অর্থ দুই ধাপে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রথম ধাপে ১৫ শতাংশের মধ্যে সাড়ে ৭ শতাংশ, ন্যূনতম ২ হাজার টাকা, ২০২৫ সালের ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়। বাকি সাড়ে ৭ শতাংশ চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে।