আজ সোমবার রাতে মেহেরপুরের গাংনী বাস স্ট্যান্ডে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা সমাবেশে বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রীকে সাইকো উপাধি দিয়ে তিনি বলেন, সংসাদে ক্ষমা চাইবেন আবার শিক্ষকদের বদলি করে প্রতিশোধও নেবেন। মন্ত্রনালয় ও প্রশাসনের ব্যার্থন কলেজের নিরিহ শিক্ষকদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। বদলি করেছেন অন্যত্রে।
তিনি আরো বলেন, মিলন সাহেব আমরা আপনার অতীত জানি, আপনার পরিবারের দুর্নীতি সম্পর্কে জানি। আবার নিজেদের ছেলেকে বিদেশে পাড়লেখা করান, আর আমাদের উপদেশ দেওয়া দেন নেতাদের পিছনে রাজনিতি করার।
সালাউদ্দীন আহম্মেদকে উদ্ধেশ্যে করে বলেন, তার সম্পদ কমেনি। আগের চাইতে ২৫ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। আসলে বিএনপি কোন নিরপেক্ষতা চায়না। বরং তারা আওয়ামী লীগের মতো দখলদার রাজনিতি করতে চায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আকতার হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনিতিতে অতিষ্ঠ হয়ে দেশের সংস্কার চেয়েছিলো। অথচ ভোট হওয়ার পর বিএনপি ও তার শরিক দল আর সংস্কার চায়না। ঐক্যমত কমিশনের আলোচনায় বিএনপি কিছু কিছু বিষয়ে নট অ্যাব ডিসেন্ট দিয়েছিলো। আর গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন নট অ্যাব ডিসেন্ট দেয়নি। এখন বিএনপির সাথে বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে দায়িত্ব নিয়ে এখন বিএনপির সুরেই কথা বলে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশর ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিলেও এখন তারা তা মানে না। জনগণের স্বীদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। তাই ক্ষমতায় থাকতে হলে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। কোন ধরনের দখলের রাজনিতি কেউ মেনে নেবেনা।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন- এমপি, মূখ্য সংগঠক (দক্ষিণ) ডাঃ মাহমুদা মিতু- এমপি, যুগ্ম আহবায়ক নুসরাত তাবাসুম- এমপি, আলী আহসান জুনায়েদ, সরওয়ার তুষার এবং কেন্দ্রীয় যুগ্ম মূখ্য সংগঠক অ্যাড. শাকিল আহমাদ।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চুয়াডাঙ্গার পদযাত্রা শেষে মেহেরপুরের গাংনীতে পৌছায় এনসিপির গাড়ীবহর। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করে কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন তারা।
এর আগে সকালে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের পোস্টার সম্বালিত কুশপুত্তলিকা এবং দুপুরে মঞ্চের ১০ মিটারের মধ্য থেকে বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধারের পর নানা শংকা সৃষ্টি হয়। তবে শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।