সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও সরকার জ্বালানিতে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছে। তিনি হিসাব তুলে ধরে জানান, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতিতে প্রতি লিটার ডিজেল কিনতে খরচ হচ্ছে ২৫০ টাকা।
সাম্প্রতিক সময়ে মূল্য সমন্বয়ের পরও সরকারকে প্রতি লিটারে প্রায় ৭০ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। তবে সংকট নিরসনে বর্তমান সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গেই সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে দেশে কৃত্রিম অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। তিনি বলেন, দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির জন্য পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের চেষ্টা দেখা যাচ্ছে, যার পেছনে পতিত স্বৈরাচারের যোগসাজশ থাকতে পারে।
এই বিষয়ে দেশবাসী ও দলের নেতা-কর্মীরা সচেতন রয়েছেন।সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে দাবি করে রিজভী আরও বলেন, বিরোধীদের কাছ থেকে দায়িত্বশীল ও বাস্তবসম্মত সমাধান প্রত্যাশা করা হয়েছিল।
কিন্তু আন্দোলনের নামে সরকার ও বিএনপির বিরুদ্ধে যে ধরনের কটূ ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
একই সঙ্গে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে রিজভী বলেন, ফ্যাসিবাদের দোসররা প্রশাসনের অভ্যন্তরে থেকে নাশকতা বা স্যাবোটেজ করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
গোপন কক্ষে বসে কেউ পরাজিত শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।