সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক বার্তায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু প্রশাসনিক উদ্যোগ কিংবা কীটনাশক ছিটিয়ে ডেঙ্গু পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক সচেতনতা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক প্রভাবের কথা উল্লেখ করে ড. মুহিত বলেন, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সময়োপযোগী তথ্যের প্রচার ডেঙ্গুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বিশেষ করে তরুণ সমাজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সারদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতামূলক কনটেন্ট, রিলস ও স্টোরি তৈরি এবং সেগুলো শেয়ারের মাধ্যমে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এরই মধ্যে ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইনে বহু কনটেন্ট ক্রিয়েটর যুক্ত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মুহিত বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়, জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখা এবং ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বার্তাগুলো কনটেন্ট ক্রিয়েটররা সৃজনশীল ভিডিও, ইনফোগ্রাফিক ও পোস্টের মাধ্যমে সহজে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন।
আগামী তিন মাস এ ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, ডেঙ্গুর উপসর্গ এবং প্রাথমিক চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য ব্যাপকভাবে প্রচার করা হবে। নাগরিকদের নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা ও কর্মক্ষেত্র পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি সচেতনতামূলক বার্তা ভার্চুয়াল পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়ারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।