অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী দুই বছর অর্থনীতির জন্য কঠিন সময় হতে পারে। এ সময় কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যেগুলো জনপ্রিয় নাও হতে পারে। সংকট থেকে উত্তরণের জন্য কঠোর ও বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি বর্তমানে “লো লেভেল ইকুইলিব্রিয়ামে” অবস্থান করছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন। অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক তুলে ধরে তিনি বলেন, খেলাপি ঋণ বর্তমানে ৩০ শতাংশের বেশি, যা একটি অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
অর্থমন্ত্রী বলেন, অতীতে ২০০৫ সালে খেলাপি ঋণ ছিল ১৩ শতাংশ। বর্তমানে তা বেড়ে অর্থনীতির গতি প্রায় থেমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
তিনি আরও দাবি করেন, বিএনপি সরকারের সময়ে ব্যবসায়ীদের গ্যাস ও বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল এবং অনেক ব্যবসায়ীকে হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছিল। অনেকে ব্যবসা চালাতে পারেননি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সরকারের নেতৃত্বের প্রশংসা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান নেতৃত্বের ভিশন সঠিক এবং সততার ভিত্তিতেই কাজ চলছে। তিনি বলেন, “এটা কঠিন কাজ, তবে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে পারব।”
বিএনপির ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ প্রসঙ্গে বিরোধী দলের বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, এটি ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং এটি নতুন কোনো বিষয় নয়।