মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত ‘ডিকাব টক’-এ অংশ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, এটা সরকারের সঙ্গে সরকারের চুক্তি এবং এভিয়েশন খাতে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ অংশীদারত্বের উন্নয়ন বা জোরদার করার জন্য এটা করা হয়েছে। আমরা জানি বাংলাদেশ এভিয়েশনের আঞ্চলিক হাব হতে চায় এবং এই উচ্চাকাঙ্ক্ষার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য সহায়তা করতে পারে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
তিনি বলেন, অবশ্যই আমরা এই চুক্তি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে কাজ করছি। এটা সরকারের সঙ্গে সরকারের চুক্তি। চলমান বাণিজ্যিক দরকষাকষির বিষয়ে আমি অবশ্য মন্তব্য করছি না, তবে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উচ্চাকাঙ্ক্ষার ক্ষেত্রে সহায়তা দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এবং এই প্রেক্ষাপট থেকে চুক্তিটি সই হয়েছে।
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিংয়ে কাজ পেতে ব্রিটিশ কোম্পানি মেনজিসের আগ্রহ এবং এয়ারবাসের উড়োজাহাজ ক্রয় প্রসঙ্গে সর্বশেষ অগ্রগতির প্রশ্নে সারাহ কুক বলেন, এক্ষেত্রে আমি আগে যা বলেছি, তার চেয়ে বেশি কিছু বলা কঠিন। আমাদের সরকারের সঙ্গে সরকারের চুক্তি আছে। যেমনটি আপনি বলেছেন, গত মাসে আমাদের বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস উইন্টার্টনের উপস্থিতিতে ওই অংশীদারত্ব চুক্তি আমরা করেছি।
তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ কীভাবে একযোগে কাজ করতে পারি এবং আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে কীভাবে সহায়তা করা যায়, সেটা ওই চুক্তিতে ঠিক করা হয়েছে। বাণিজ্যিক আলোচনা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া আমার জন্য সমীচীন হবে না।
হাইকমিশনার বলেন, আমি যেটা বলতে পারি, সরকারের সঙ্গে সরকারের উচ্চাকাঙ্ক্ষার সঙ্গে এয়ারবাসের সংযোগ রয়েছে। বাণিজ্যিক দরকষাকষি নিয়ে আমি মন্তব্য করতে পারি না। তবে, আমি যেটা বলতে পারি মিশ্র বহরের কৌশল নিয়ে বহুমুখীকরণ করলে বাংলাদেশের উপকার হবে এবং বাংলাদেশ আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হওয়ার ক্ষেত্রে এটি সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ডিকাব সভাপতি এ কে এম মঈনুদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েস।