বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সংগঠনের এক বৈঠকে এ দাবি উত্থাপন করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন নূরুল ইসলাম খলিফা। এতে সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সালেহ, ইঞ্জিনিয়ার আবুল বাসার, আবদুস সাদেক ভুঁইয়া, এ এ এম হাবীবুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, ব্যাংক পুনর্গঠন সংক্রান্ত আইনি কাঠামোর কিছু ধারা এবং ব্যবস্থাপনায় সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত ব্যাংক খাতে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। তাদের মতে, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে অতীতের বিতর্কিত গোষ্ঠীগুলোর পুনরাগমনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তারা আরও দাবি করেন, ইসলামী ব্যাংক থেকে ভুয়া ঋণের মাধ্যমে অর্থ পাচারের ঘটনা অতীতে ব্যাংক খাতে বড় সংকট তৈরি করেছিল। পরবর্তী সময়ে কিছু পদক্ষেপে ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়ালেও সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তগুলো আবারও স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
সাবেক ব্যাংকারদের উত্থাপিত পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— ব্যাংক পুনর্গঠন সংক্রান্ত আইনের একটি নির্দিষ্ট ধারা বাতিল, ব্যাংক থেকে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের অপসারণ, পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরত আনা, দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া।
তারা বলেন, বর্তমান প্রধান নির্বাহীকে দায়িত্ব থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ আস্থা ও গ্রাহক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বৈঠকে আরও বলা হয়, ব্যাংক খাতে সুশাসন ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয় যাতে এমন কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়া হয়, যা আমানতকারীদের আস্থায় ঘাটতি তৈরি করে।