মামলার বাদী হয়েছেন ওই স্কুলের সহকারি শিক্ষক এম,এম জিয়াউল হক।
এ মামলায় আসামী করা হয়েছে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি সিকদার তোফায়েল আহমেদ,সহকারি প্রধান শিক্ষক নওরিন কবির, সহকারি শিক্ষক মো: আজিজুর রহমান,অফিস সহকারি শরীফ আব্দুল বাকী এবং ভবানীপুরের বাসিন্দা শরীফ তোকরুল হোসেন ও শরীফ রেফায়েত হোসেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আর বি এফ এম ভবানী পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে জালিয়াতি, ঘুষ ও নিয়োগ বানিজ্য চলে আসছে। ২০১৩ সালে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ২০১৪ সালে তিনজন শিক্ষক নিয়োগ পান।পরে তাদের একজন বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা ও সাজা হওয়ার পর তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উল্লেখ করা হয়ছে।
এরপর আর কোন নিয়োগ পরিক্ষা বা নতুন বিজ্ঞাপ্তি ছাড়াই ২০২৩ সালে পুরোনো নিয়োগ বিজ্ঞাপ্তি ব্যবহার এবং নধি জাল করে নিয়োগ দেওয়া হয় বলে বাদির দাবি।
অভিযোগে বলা হয়েছে, এ কাজে বিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রয়াত প্রথম শিক্ষক গোপাল চন্দ্র বিশ্বাসের সাক্ষর ও সিল জাল করা হয়েছে। এমনকি পরিক্ষা অনুষ্ঠিত না হলেও পরিক্ষার ফলাফল ( রেজাল্ট শিট) উপস্থিতি ও অন্যান্য দাপ্তরিক কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন দেখানো হয়েছে।
এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করায় বাদীসহ কয়েকজন শিক্ষককে বিভিন্ন ভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে ও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ আরও বলা হয়েছে, গত৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে বিদ্যালয়ের একটি সভায় বাদী ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সক্রান্ত অনিয়ম ও দূর্ণীতির বিষয়টি উপস্থাপন করলে কয়েকজন আসামি তাদের গালিগালাজ করেন।এক পর্যায়ে বাদীর জামার কলার ধরে টানাহেঁচড়া করেন।একপর্যায়ে তাদের সভা কক্ষ থেকে বের করে দেন।পরে বিদ্যালয়ে গেলে তাকে হত্যা বা গুরুতর জখম করার হুমকি দেন।ঘটনার পর বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে লিখত অভিযোগ করায় তিনি বিদ্যালয়ে যেতে পারছেন না বলে দাবি তার।
এবিষয়ে জানতে মামলার ১ নম্বর অভিযুক্ত সিকদার তোফায়েল আহমেদ বলেন,আমার সময় কোন নিয়োগ হয়নি। মামলায় আমার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলো সঠিক না।