খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে চরকাই সরকারি খাদ্য গুদামে ৩৬ টাকা কেজি দরে ১ হাজার ৮৬ মেট্রিক টন ধান এবং ৪৯ টাকা কেজি দরে ৩ হাজার ১৭২ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মে মাসে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত ৫৪১ মেট্রিক টন ধান এবং ২ হাজার ২২১ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ধান সংগ্রহের অগ্রগতি প্রায় ৫০ শতাংশ এবং চাল সংগ্রহের অগ্রগতি ৭১ শতাংশ।
সংশ্লিষ্টরা জানান, মাঝপথে বস্তার সংকট দেখা দেওয়ায় কয়েকদিন সংগ্রহ কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হলেও বর্তমানে প্রয়োজনীয় বস্তা সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় পূর্ণোদ্যমে ধান-চাল সংগ্রহ চলছে।
উপজেলার জাভেদ অটো রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী রবিউল ইসলাম বলেন, সরকারি সংগ্রহ কর্মসূচিতে প্রতিবছরের মতো এবারও অংশ নিয়েছি। আমার অনুকূলে বরাদ্দ পাওয়া সব চাল ইতোমধ্যে খাদ্য গুদামে সরবরাহ করেছি। অন্য মিলাররাও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চাল সরবরাহে কাজ করছেন।
চরকাই সরকারি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, কৃষকদের ব্যাপক সচেতনতা, মিলারদের সহযোগিতা এবং নিয়মিত তদারকির কারণে সংগ্রহ কার্যক্রম সন্তোষজনক গতিতে এগোচ্ছে। আগস্ট পর্যন্ত সময় থাকলেও চলতি জুলাই মাসের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এএইচএম তৌহিদুল্লাহ বলেন, সংগ্রহ অভিযান সফল করতে মাইকিং, পোস্টারিংসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবার নির্ধারিত সময়ের আগেই ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।