শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বন্দরের কুড়িপাড়া চাপাতলি এলাকার সেলিম মিয়ার টিনশেড বাসায় গ্যাসের লিকেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে মারুফসহ তার বাবা মাইদুল (২৪) ও মা বিউটি (২২) দগ্ধ হন।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে পরিবার জানায়, মারুফের শরীরের ৯০ শতাংশ, তার বাবা মাইদুলের ৮৫ শতাংশ এবং মা বিউটির ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
মারুফের মৃত্যুর পর তার বাবা-মা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাসের লিকেজ থেকে ঘরে জমে থাকা গ্যাসে আগুনের সূত্রপাত হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।