বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় পর্যায়ে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমির এজাজ খান, খুলনার জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত, বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থান্দার কামরুজ্জামান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক, বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রব, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম ও যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবুবকর মোল্লা।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সেলিম মিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বিপাশা দেবী তনু, খুলনা জেলা কৃষক দলের সভাপতি মোল্লা কবির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ শেখ, বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এজাজুর রহমান শামীম, সদস্যসচিব ফারুক হোসেন খন্দকার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমডি খায়রুল ইসলাম খান জনি, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান জিকু ও কামরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ১ নম্বর জলমা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক রুহুল মোমেন লিটন, ২ নম্বর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইমরান আহম্মেদ, সুরখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাসেদ কামাল, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব বাহাদুর মুন্সি, জেলা কৃষক দলের দপ্তর সম্পাদক দেবাশীষ মন্ডল দেবু, গঙ্গারামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হাওলাদার, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আবুল হোসেন, সিএ হারুন, সিও আব্দুস সামাদ, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, কৃষক ও সাংবাদিকেরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং কৃষি খাতকে আধুনিক ও ডিজিটাল করার ক্ষেত্রে কৃষক কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে কৃষকেরা সরকারি বিভিন্ন কৃষিসেবা সহজে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচসুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, কৃষিবিষয়ক প্রশিক্ষণ, ফসলের রোগবালাই ও আবহাওয়াসংক্রান্ত তথ্য, কৃষিবিমা এবং কৃষিপণ্য বিক্রির সুবিধাসহ ১০ ধরনের সেবা দেওয়ার কথা রয়েছে।
বটিয়াঘাটা উপজেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়নের ব্লকভিত্তিক কৃষক-কৃষাণিদের তথ্য সংগ্রহের কাজ এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে নির্ধারিত কৃষকদের হাতে এ কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বটিয়াঘাটা উপজেলার ৭ নম্বর আমিরপুর ইউনিয়নের একটি ব্লকে ১ হাজার ৪৯২ জনকে কৃষি প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রমে কৃষকদের মুখে হাসি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ।
বক্তারা আরও বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি কৃষি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে। এতে প্রকৃত কৃষকেরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে আরও সহজ ও কার্যকর ব্যবস্থা পাবেন।
উল্লেখ্য, সরকারি কৃষক কার্ড কর্মসূচির আওতায় চলতি বছর দেশব্যাপী কৃষকদের কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা দেওয়ার কার্যক্রম চলছে।