আজ বুধবার বেলা ১১ টায় খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ইশতেহার ঘোষণা করেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মোল্লা খায়রুল ইসলাম।
আগামী ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থায়। এবার নির্বাচনে ২২২ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
ইশতেহারে বলা হয়, খুলনা জেলা স্টেডিয়ামকে পূর্ণাঙ্গ রূপদান ও বন্ধ থাকা খেলাধূলা নিয়মিত আয়োজন করা, পূর্ণাঙ্গ লীগ আয়োজন করা, নতুন খেলোয়াড় তৈরি করা, প্রশিক্ষণের আয়োজন করা, জাতীয় পর্যায়ের সব ইভেন্টে অংশ গ্রহন করা হবে।
ঘোষিত ইশতেহারের আরও বলা হয়, নিয়মিত সব লিগ আয়োজনে শক্তিশালী স্পন্সরের ব্যবস্থা করা হবে। ক্লাব গুলো যেনো আরো স্বচ্ছলভাবে লিগে অংশগ্রহণ করতে পারে তার যথাযথ ব্যবস্থা করা হবে। জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করা খুলনার দল, খেলোয়াড় ও সংগঠকদের বিশেষ সম্মাননার ব্যবস্থা করা হবে। খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে আধুনিক সুইমিংপুল ও জিম নির্মান করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, একঝাঁক দক্ষ ও তরুণ প্রতিভাবান ক্রীড়া সংগঠক ও সাবেক ক্রীড়াবিদদের নিয়ে গড়া মোল্লা খায়রুল ইসলাম নেতৃত্বাধীন পরিষদ এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে যাচ্ছে। নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে। আমরা যেমন দক্ষতাকে গুরুত্ব দিয়েছি তেমনি নতুন ক্রীড়া সংগঠক ও আগামীর আধুনিক ক্রীড়াঙ্গন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তারুণ্যকেও প্রাধান্য দিয়েছি। খুলনার ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজানোর লক্ষ্যে ২৬ জন পূর্ণাঙ্গ প্যানেলে আমরা প্রার্থী ঘোষণা করেছি। এর মধ্যে সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী চারজন সাধারণ সম্পাদক নির্ধারিত একজন, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী একজন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক দুইজন একজন এবং সদস্য ১৩ জন রয়েছেন। আমরা নির্বাচনে সুনির্দিষ্ট কিছু এজেন্ডা নিয়ে মাঠে নেমেছি। যেগুলো আমরা ভোটারদের কাছে তুলে ধরছি।
আশা করছি আগামী ১২ সেপ্টেম্বর ভোটাররা তাদের রায় আমাদের প্যানেলের পক্ষে প্রদান করবেন।
আমরা ক্রীড়াঙ্গনের সেবক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আমরা যে প্রতিশ্রুতি গুলো আপনাদেরকে দিয়ে যাচ্ছি আগামী চার বছর পর আপনারা সেই প্রতিশ্রুতি পূরন করতে পেরেছি কিনা সেগুলো মিলিয়ে নেবেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, শাহ আসিফ হোসেন রিংকু, কে এম আশরাফুল ইসলাম নান্নু, অহিদুল ইসলাম সেলিম, মোঃ ইয়াছিন খান।