পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো ভোরে হাঁটতে বের হন মুকুল হোসেন। হাঁটার সময় কাশেম মোড় এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে পরপর পাঁচ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে তার বুকে, পিঠে ও হাতে গুলি লাগে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন।
গুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
সাহারবাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বশিরুল হাসান আজিজ জানান, ফজরের নামাজের পর ইউনিয়ন যুবদল সভাপতির মাধ্যমে তিনি ঘটনার খবর পান। তবে কী কারণে এ হামলা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. ওমর আলী বলেন, ‘রোগীর বুকে ও পিঠে গুলির চিহ্ন রয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
মেহেরপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান অপু জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।