রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ফরিদুল আলম পারভেজ ।
ভুক্তভোগী বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে আমি নিজ বসত বাড়ীতে গরু লালন পালন করে আসছি। যার মধ্য ৩টি গাভী ও ১টি বাছুর রয়েছে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৬,৫০,০০০/- (ছয় লক্ষ পঞ্চাশ) টাকা। শনিবার দিবাগত রাতে আমার গরু গুলো প্রতিদিনের ন্যায় গোয়াল রেখে গোয়াল ঘর তালা বদ্ধ করে দিই। রবিবার সকালে আমার জেঠাতো ভাই নামাজ পড়ার জন্য উঠিলে আমাদের গোয়াল ঘরের দরজা খোলা অবস্থায় দেখতে পায়। দরজা খোলা দেখে উক্ত সময় আমার জেঠাতো ভাই আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে গোয়াল ঘরের দরজা খোলার বিষয়টি জানায়। আমি তার কথায় গোয়াল ঘরে গিয়ে গোয়াল ঘরের দরজার তালা ভাঙ্গা দেখতে পাই। গোয়াল ঘরে রাখা গরুগুলো দেখতে না পেয়ে অত্যন্ত বিচলিত হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে আমি আশ পাশের সকল জায়গায় খোজ নিয়ে আমার গরু গুলোর কোন সন্ধান পাইনি।
তিনি আরও জানান, গাভীর দুধ বিক্রি করে সংসার চালানোর পাশাপাশি এ টাকা থেকে গোখাদ্যের যোগানও দিতেন তিনি। গত ২ মাসে আশপাশের এলাকায় ৫ টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল হালিম বলেন, গরু চুরির ঘটনার একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।