বর্তমানে পিআইপি ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করে সপ্তাহে সর্বনিম্ন ৩০.৩০ পাউন্ড থেকে সর্বোচ্চ ১৯৪.৬০ পাউন্ড পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ যোগ্য আবেদনকারীরা প্রতি চার সপ্তাহে ১২১.২০ পাউন্ড থেকে শুরু করে ৭৭৮.৪০ পাউন্ড পর্যন্ত সরাসরি আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন। মূলত যাদের স্বাস্থ্যগত জটিলতার কারণে দৈনন্দিন জীবন যাপন বা চলাফেরায় অন্তত তিন মাস ধরে সমস্যা হচ্ছে এবং আগামী নয় মাস এই সমস্যা স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তারা এই ভাতার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
আবেদনকারীদের সক্ষমতা যাচাইয়ে ডিডব্লিউপি একটি নির্দিষ্ট পয়েন্ট ভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুসরণ করে। দৈনন্দিন কাজ যেমন—রান্না করা, খাওয়া, ওষুধ সেবন, গোসল, পোশাক পরা এবং অন্যের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের মতো বিষয়গুলোতে কার কতটুকু সহায়তা প্রয়োজন, তার ওপর ভিত্তি করে ০ থেকে ১২ পর্যন্ত পয়েন্ট দেওয়া হয়। স্ট্যান্ডার্ড রেটের সুবিধা পেতে কমপক্ষে ৮ পয়েন্ট এবং উচ্চতর বা এনহ্যান্সড রেটের জন্য ১২ পয়েন্ট অর্জন করতে হয়। এছাড়া অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং একা চলাফেরার সক্ষমতাও এই মূল্যায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে এক ধরনের সামাজিক জড়তা কাজ করে। লোকলজ্জার ভয়ে অনেকেই নিজেদের মানসিক কষ্টের কথা প্রকাশ করতে চান না, যা তাদের এই রাষ্ট্রীয় অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। ডিডব্লিউপি-এর এই স্পষ্ট বার্তার পর, যোগ্য ব্যক্তিদের সময়মতো আবেদন করার এবং প্রয়োজনীয় সরকারি সুবিধা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই সহায়তা মানসিক রোগীদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।