ওবামা বলেন, কোনো আঞ্চলিক সংঘাত ছাড়াই কূটনৈতিক উপায়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছিল। তার দাবি, কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া ছাড়াই ইরানের ৯৭ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, ওই সময় যুদ্ধ, প্রাণহানি কিংবা হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তৎকালীন মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যও চুক্তির কার্যকারিতার পক্ষে ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ওবামার ভাষ্য অনুযায়ী, কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে বড় ধরনের একটি আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় এসে ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক নতুন করে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা আরও বাড়তে থাকে।