এদিন বিকেল ৫টায় রাজধানীর রামপুরায় চ্যানেলটির ঢাকা নিজস্ব কার্যালয়ে উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মইনুল হোসেন মজুমদার। এসময় উপস্থিত ছিলেন চ্যানেল১৮ বাংলাদেশের চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) লিনু মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং চিফ নিউজ এডিটরসহ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পরিচালক মইনুল হোসাইন মজুমদার বলেন, ‘লন্ডনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী ও বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য চ্যানেল এইটটিন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করবে। এই চ্যানেলটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাঙালিদের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।’
প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে প্রাথমিক কাজ শুরু করলেও, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে চ্যানেলটি। ১৯ মে বাংলাদেশে নিজস্ব অফিস উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে অনাড়ম্বর পরিবেশে কার্যক্রম শুরু করে। আগামী জুলাই মাসে বাংলাদেশ, লন্ডনসহ বিশ্বের নানা দেশে বৃহৎ পরিসরে চ্যানেলটির আনুষ্ঠানিক ‘লঞ্চিং’ বা যাত্রা শুরু হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৮৬ জন পেশাদার সাংবাদিক এ প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।
চ্যানেল১৮ বাংলাদেশের সিওও লিনু মোহাম্মাদ জিয়াউল হক বলেন, ‘লন্ডনভিত্তিক গণমাধ্যম হলেও, বাংলাদেশে এটি মূলধারার মিডিয়া হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।’

জানা গেছে, শিগগিরই লন্ডনের স্যাটেলাইট ‘স্কাই টিভির’ অনুমতি নিয়ে আন্তর্জাতিক চ্যানেল হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। বাংলাদেশ ছাড়াও মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, সৌদি আরব, দুবাই, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও ইউরোপে এর নিজস্ব কার্যালয় থাকবে।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান লন্ডনের একজন স্বনামধন্য ও মিডিয়াবান্ধব ব্যক্তি। চট্টগ্রামের রাউজানের এই কৃতি সন্তান প্রচারের আড়ালে থেকে মানবসেবা ও গণমাধ্যমের বিকাশে কাজ করতে আগ্রহী, মানবতাবাদী,গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ,প্রবাশীদের নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান বলেন আমাদের গণমাধ্যম নিয়ে স্বপ্ন আছে,কোন উচ্চাবিলাশ নেই । এর আগেও তিনি লন্ডনে একটি স্যাটেলাইট টেলিভিশন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ঢাকার পূর্বাচলে চ্যানেলটির নিজস্ব স্থায়ী কার্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে লন্ডন থেকে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ভার্চুয়ালি সংবাদকর্মী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এসময় প্রতিষ্ঠানটির সহকারী বার্তা সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সহ-সম্পাদক, প্রতিবেদকসহ বিভিন্ন জেলার রিপোর্টারা উপস্থিত ছিলেন। যাদের মধ্যে ছিলেন নূরে আলম ফয়জুল্লাহ (ভোলা), মো. আব্দুল কাদির (কিশোরগঞ্জ), আব্দুল কাফি সরকার (গাইবান্ধা), জিএম মিজান (বগুড়া), হাফিজুল নিলু (নড়াইল), কালাম সরদার (শরীয়তপুর), আলমগীর হান্নান (খুলনা), কাওসারুল মামুন রাজু (সোনারগাঁও), সাইফুল শাওন (সাভার), জুলহাস কায়েম (নাটোর), খালিদ হাসান (নোয়াখালী), নাদিম হায়দার (মুন্সিগঞ্জ) ও মো. রাসেল শেখ (ঢাকা) মারুফ (যশোর),মহিউদ্দিন মজুমদার স্টাফ রিপোর্টার, আশরাফুজামান সিনিয়র রিপোর্টার,প্রেজেন্টার অদিতি সরকার, অনামিকা, ইউসুফ,সাবিত ।
সবশেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে চ্যানেলটির সাফল্য কামনা করা হয়।