মার্চের ৩ তারিখে ঘটে যাওয়া এই হামলায় দূতাবাসে কয়েক ঘণ্টা ধরে আগুন জ্বলেছিল এবং এতে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘটনাটিকে সীমিত অগ্নিকাণ্ড ও সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হিসেবে উল্লেখ করেছিল।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, “এই হামলার সঙ্গে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কোনো সম্পর্ক নেই। ইসরায়েলের রণকৌশল বিবেচনা করলে এটি নিশ্চিতভাবেই জায়নিস্টদের দ্বারা পরিচালিত।” তারা মুসলিম দেশগুলোর প্রতি সতর্কবার্তাও দিয়েছে, বলেছে মধ্যপ্রাচ্যে ‘জায়নিস্ট শাসনের ষড়যন্ত্র’ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোকে ‘আমেরিকান-জায়নিস্ট’ প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানায়।
এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ আক্রমণের পরে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাল্টা হামলা চালায়, যেখানে তারা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানায়।
সূত্র: প্রেস টিভি