সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল শুক্রবার (৩ এপ্রিল) জানিয়েছে, যুদ্ধ বন্ধে আঞ্চলিক মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা এখন একদমই থমকে গেছে।
পাকিস্তান যে চেষ্টা করেছিল সেটি কোনো ফলাফলই বের করতে পারেনি। ইরান তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য ইসলামাবাদে তারা তাদের কোনো প্রতিনিধিকে পাঠাবে না।
এখন পাকিস্তানের বদলে কাতার ও তুরস্ক মধ্যস্থতার ভূমিকা নিতে পারে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস দাবি করেছে, যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি খোলা নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। এক্সিওস জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বুধবার কথা বলেছেন ট্রাম্প।
এরপর ওইদিনই ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে দাবি করেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছেন। কিন্তু হরমুজ না খোলা পর্যন্ত তারা কোনো যুদ্ধবিরতি করবেন না।
কিন্তু ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ট্রাম্পের এমন দাবি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
গতকাল শুক্রবার ইরানের একটি সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্র তাদের ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু তারা এতে কোনো সাড়াই দেয়নি।