স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঐতিহাসিক ও দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদটি দেখতে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় জমান। ৫ টাকার নোটে মুদ্রিত এই ঐতিহ্যবাহী মসজিদে এসে অনেকেই নিজেদের মানত ও দান করে থাকেন।
নিয়ম অনুযায়ী প্রতি তিন মাস পরপর এই দানবাক্স খোলা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় আজ দানবাক্স খোলার পর শুরু হয় টাকা গণনার কাজ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মান্দা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, মসজিদের ইমাম, খাদেম এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এবার দানবাক্সে জমানো টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৪ টাকা। নগদ টাকার পাশাপাশি মানত করা বিভিন্ন স্বর্ণের গহনা, একটি স্বর্ণের চামচসহ ভারত ও মালয়েশিয়ার মুদ্রাও পাওয়া গেছে।
মসজিদ কমিটির সভাপতি ও মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লায়লা আঞ্জুমান বানু বাসসকে জানান, দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত এই অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার স্বচ্ছতার সঙ্গে হিসাব করে মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ, উন্নয়নমূলক কাজ এবং ধর্মীয় কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে। ঐতিহাসিক এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের ঐতিহ্য ধরে রাখতে স্থানীয় প্রশাসন সবসময় তৎপর রয়েছে।