জানা গেছে, এডিবির অর্থায়নে নির্মাণনাধীন ১০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি ইসলামপুর ইউনিয়নের ২০ থেকে ২৫টি গ্রামের মানুষের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম। প্রতিদিন ইউনিয়ন পরিষদ, স্কুল-কলেজ, হাট-বাজার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষ এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। সেতুর পাশের ঝুঁকিপূর্ণ বিকল্প সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া নির্মাণকাজের জন্য ছড়ায় অস্থায়ী বাঁধ দেওয়ায় বর্ষাকালে আশপাশের বাড়িঘর ও বিকল্প সড়ক পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল্লাহ মিয়া বলেন, প্রায় এক বছর আগে কাজ শুরু হলেও এখনও এক-চতুর্থাংশ কাজও শেষ হয়নি। কাজের মেয়াদ চলতি বছরের মার্চ মাসে শেষ হয়েছে। বিকল্প সেতুটিও ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অন্যতম পরিচালক উত্তম কুমার স্বপনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কমলগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাঈফুল আজম বলেন, সাইনবোর্ডে কাজ শুরু ও শেষ হওয়ার তারিখ ভুল দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়াতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আছাদুজ্জামান বলেন, প্রকৌশলীকে নিয়ে দ্রুত সরেজমিনে পরিদর্শন করবো এবং নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।