তিনি দৌলতপুর থানার মানিকতলা মেইন রোডের ৮৭ নং হোল্ডিং এর ছখিনা মঞ্জিল এর মৃত মোশাররফ হোসেনের পুত্র। তিনি খুলনার একটি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান বলে সূত্র জানিয়েছে।
আজ মঙ্গলবার খুলনার বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এ মামলাটি দায়ের করেন সোনাডাঙ্গা থানা এলাকার ১৪১ নং আপার যশোর রোডের নামজা সুলতানা ও মৃত কাজী সিরজুর রহমানের মেয়ে ভুক্তভোগী ওয়াহিদা রহমান (৪৪)। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তা তদেন্তর জন্য পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার এজাহারে বাদী ওয়াহিদা রহমান উল্লেখ করেন, চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি পরিচয়ের সূত্র ধরে শামীমের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে আসামি তাকে বিয়ের প্রস্তাব এবং সংসার করার প্রতিশ্রুতি দেন। একপর্যায়ে ২শ’ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত এ্যাফিডেভিট কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে ৩ লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্যে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে বিশ্বাস করান এবং পরে রেজিস্ট্রি কাবিন মূলে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিবাহ সম্পন্ন করবেন বলে আশ^াস প্রদান করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে আসামি একাধিকবার বাদীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। এতে বাদী অন্তঃসত্ত্বা হলে আসামি গর্ভের সন্তান নষ্ট করে দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
বাদীর দাবি, পরবর্তীতে তিনি কাবিননামা বা বিয়ের নিবন্ধনের কাগজপত্র চাইলে আসামি নানা অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যান। একপর্যায়ে জানিয়ে দেন, তাদের মধ্যে কোনো বৈধ বিয়ে হয়নি।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ব্যবসার কথা বলে বাদীর কাছ থেকে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা গ্রহণ করেন আসামি। এছাড়া বিভিন্ন সময় তাকে গালিগালাজ, অপমান, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ তাকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। পরে তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।