গত ৪ মে বাংলাদেশ বিমানের ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নতুন ট্যাক্স আরোপের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামলাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
বিমানের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে লন্ডনের স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং সাধারণ প্রবাসীদের মধ্যে তীব্র ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অন্যান্য এয়ারলাইন্সের তুলনায় বাংলাদেশ বিমানের টিকিটের দাম এমনিতেই বেশি থাকে। এর ওপর যদি আরও ২০৭ পাউন্ড অতিরিক্ত ট্যাক্স দিতে হয়, তবে টিকিটের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে যাত্রীরা বাংলাদেশ বিমান থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন, যা দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় পতাকাবাহী এই সংস্থাটির জন্য লোকসানের কারণ হবে।
এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বিমান বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার রিয়াজ সুলেমান জানান, এই ট্যাক্স বৃদ্ধির বিষয়ে স্থানীয় কর্মকর্তাদের সাথে আগে কোনো আলোচনা করা হয়নি। এটি সম্পূর্ণভাবে ঢাকা হেড অফিসের সিদ্ধান্ত। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের অভাব-অভিযোগ ও মতামত তিনি ঢাকায় পাঠাবেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি প্রধান কার্যালয় ট্যাক্সের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে, তবে ভাড়ার ওপর চাপ কিছুটা কমতে পারে। তবে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশে যেতে ইচ্ছুক যাত্রীদের ২০৭ পাউন্ড অতিরিক্ত ট্যাক্স দিয়েই টিকিট ক্রয় করতে হবে।